বাংলাদেশের প্রধান খনিজ সম্পদ- প্রাকৃতিক গ্যাস।
বাংলাদেশে সর্বপ্রথম গ্যাস উত্তোলন শুরু হয়- ১৯৫৭ সালে। (আবিস্কার: ১৯৫৫ সালে, সিলেট হরিপুর)।
বর্তমানে মোট গ্যাস ক্ষেত্র- ২৩টি।
বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় গ্যাসক্ষেত্র- তিতাস।
গ্যাস সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়- বিদ্যুৎ উৎপাদনে।
সর্বশেষ গ্যাসক্ষেত্র- কুমিল্লার ভাঙ্গুরা।
বাংলাদেশের সামুদ্রিক গ্যাস ক্ষেত্র- দুটি, সাঙ্গু ও কুতুবদিয়া।
দেশের প্রথম সামুদ্রিক গ্যাসক্ষেত্র থেকে গ্যাস উত্তোলন করা হয়- সাঙ্গু।
দেশে মোট মজুদকৃত গ্যাস- ২৮.৪ ট্রিলিয়াস ঘনফুট।
তিতাস গ্যাসক্ষেত্রটি- ব্রাহ্মণবাড়িয়ায়।
বাংলাদেশের বিভিন্ন খনির কাজ করে যে দেশীয় সংস্থা-

BAPEX (বাপেক্স)

Bangladesh Petroleum Exploration and Production Company.
ইঅচঊঢ প্রতিষ্ঠিত হয়- ১৯৮৯ সালে।
বাংলাদেশে খনিজ তেল আবিস্কুত হয়- ২২ ডিসেম্বর ১৯৮৬ সালে, সিলেটের হরিপুরে।
দেশে প্রথম বাণিজ্যিক ভিত্তিতে তেল উৎপাদন শুরু হয় ১৯৮৭ সালে। (বন্ধ ৭ সেপ্টেম্বর ১৯৯৪)।
বর্তমানে ১৭টি গ্যাস ক্ষেত্রের ৭৯টি কূপ তেকে গ্যাস উত্তোলন করা হচ্ছে।
বাংলাদেশে চীনামাটি পাওয়া যায়- নেত্রকোণার টেকের হাটে, নঁওগার পত্মীতলা, চট্টগ্রামের পটিয়ায়।
দেশের একমাত্র তেল শোধনাগার- ইস্টার্ণ রিফাইনারী লিঃ (চট্টগ্রাম)।
কয়লা পাওয়া যায়- দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়ায়, দীঘি পাড়া, ফুলবাড়ি, জয়পুরহাট, জামালগঞ্জ, নবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ, সিলেটের লালঘাট ও টেকের হাট, ফরিদপুরের চান্দা ও রাখিয়া বিল, খুলনার কোলা বিল।
বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় কয়লা খনি- দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়া।
বাংলাদেশের বড় তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র- ভেড়ামারা, কুষ্টিয়া।
কাপ্তাই বিদ্যুৎ কেন্দ্র রাঙ্গামাটি- ২৩০ মেগাওয়াট। (১৯৬২) উৎপাদিত বিদ্যুৎ।
বেসরকারী খাতে প্রথম- বাজমাউন্টেড বিদ্যুৎ- খুলনা।
বিজয়ের আলো- সিরাজগঞ্জে বিদ্যুৎ কেন্দ্র।
ইষধপশ এড়ষফ- তেজস্ক্রিয় খনিজ পদার্থ
ইষধপশ এড়ষফ পাওয়া যায়- কক্সবাজার ও সেন্টমার্টিন সমুদ্র সৈকতে।
বাংলাদেশে কঠিন শিলা পাওয়া যায়- রংপুরের বদরগঞ্জ, মিঠাপুকুর ও দিনাজপুরের মধ্যপাড়ায়।
কোথায় গন্ধকের সন্ধান পাওয়া গেছে- কুতুবদিয়ায়।
বাংলাদেশের প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রধান উপাদান- মিথেন।
বাংলাদেশে প্রাপ্ত উন্নত মানের কয়লার নাম- বিটুমিনাস।
বাংলাদেশের আণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের নাম- রুপপুর আণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র, (পাবনা) ১৯৬২ সালে।
বাংলাদেশে বায়ু বিদ্যুৎ প্রকল্প চালু হয়- ফেনী জেলায়।
ভিশন ২০২১ সালে- অর্থনৈতিক সমীক্ষা- ২০০৯ হচ্ছে প্রতি ঘরে বিদ্যুৎ পৌছানোর অঙ্গীকার।
বাংলাদেশের জাতীয় আয়ে শিল্প খাতের অবদান- ২৯.৭৩- অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০০৯।
বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার বেশির ভাগ আসে- তৈরি পোশাক খাত থেকে ৭৫.৬৩%।
বাংলাদেশ জিপিএস সুবিধা পায়- ৩১ ডিসেম্বর, ২০০৪ সালে।
বাংলাদেশের বড় সার কারখানা- যমুনা সার কারখানা (জামালপুর তারাকান্দিতে)।
বে-সরকারি খাতে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সার কারখানা- কাফকো (জাপানের সহায়তায়)।
বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ চিনিকল- কেরু এন্ড কোং লিঃ (দর্শনা)।
কর্ণফুলি পেপার মিলের কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহৃত হয়- বাঁশ।
খুলনা পেপার মিলের কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহৃত হয়- সুন্দরবনের গেওয়া কাঠ।
দেশের বড় জাহাজ নির্মাণ কারখানা- খুলনায়।
উত্তর বঙ্গে পেপার মিলে (পাবনার পাকশী) কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহৃত হয়- আঁেখর ছোবরা।
বাংলাদেশে জাহাজ নির্মাণ কারখানা- তিনটি।
বাংলাদেশে একমাত্র রেয়ন মিল- কর্ণফুলী রেয়নমিল।
বাংলাদেশের প্রথম ঊচত চট্টগ্রামে প্রতিষ্ঠিত হয়- ১৯৮৩ সালে।
দেশের একমাত্র কৃষিভিত্তিক ঊচত- উত্তরা (নীলফামারী)।