পুরস্কার বিজয়ী:রবার্ট এরিক বেটজিগউইলিয়াম এসকো মোয়ের্নারস্টিফান ওয়াল্টার হেলঅবদান:আলোর অনুশীলন যন্ত্রের উন্নয়ন ঘটিয়ে এর রেজ্যুলেশন ব্যপকভাবে বৃদ্ধি করেন এবং অতি শক্তিশালী মাইক্রোস্কোপ আবিস্কার করেন।ঘোষণা:
৮ অক্টোবর ২০১৪। আলোর অণুবীক্ষণ যন্ত্রের উন্নয়ন ঘটিয়ে এর রেজ্যুলেশন ব্যাপকভাবে বাড়াতে সক্ষম হওয়ায় তিন বিজ্ঞানীকে দেয়া হয় ২০১৪ সালে রসায়নে নোবেল পুরস্কার। তাদের উদ্ভাবনের ফলে এখন অণুবীক্ষণ যন্ত্র বা মাইক্রোস্কোপ দিয়ে পৃথিবীর সব জীবিত প্রাণী কোষকে পর্যবেক্ষণ করা সম্বব হবে।প্রাসঙ্গিক তথ্য:১৮৭৩ সালে জার্মান বিজ্ঞানী আর্নষ্ট অ্যাবের তৈরি প্রচলিত অণুবীক্ষণযন্ত্র আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্যের অর্ধেকের বেশি রেজ্যুলেশন ছবি দেখাতে পারে না। কিন্তু এবারের নোবেল বিজয়ীরা সেই সীমাবদ্ধতা দূর করতে ষ্টিফার হেলের নেতৃত্বে ১৯৯০-এর দশকে কাজ শুরু করেন । তারা এ জন্য ব্যবহার করেন ফ্লরোসেন্স।