Return code: 0 Output: বীরশ্রেষ্ঠ সিপাহী মোস্তফা কামাল | EduVai

Study Note · Bangladesh

বীরশ্রেষ্ঠ সিপাহী মোস্তফা কামাল

জন্মঃ ১৬ ডিসেম্বর ১৯৪৭ ।জন্মস্থানঃ ভোলা জেলার দৌলতখান থানার পশ্চিম হাজীপুর গ্রামে । পিতাঃ  হাবিবুর রহমানমাতাঃ মোসাম্মৎ মালেকা বেগম ।সেনাবাহিনীতে সিপাহী হিসেবে কর্মরত ছিলেন ।মুক্তিযুদ্ধঃ ৮নং সেক্টরের ২নং প্লাটুনের ল্যান্সনায়েক হিসেবে যুদ্ধ করেন ।মৃত্যুঃ ১৮ এপ্রিল ১৯৭১ । সমাধিস্থলঃ ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ার দরুইন গ্রামেযেভাবে শহীদ হলেনঃ ১৬ এপ্রিল পাকিস্তান সেনাবাহিনী চতুর্থ ইস্ট বেঙ্গলকে নিশ্চিহ্ন করার জন্য কুমিল্লা-আখাউড়া রেললাইন ধরে উত্তর দিকে এগুতে থাকে। ১৭ই এপ্রিল পরদিন ভোরবেলা পাকিস্তান সেনাবাহিনী দরুইন গ্রামে মুক্তিবাহিনীর অবস্থানের উপর মর্টার ও আর্টিলারীর গোলাবর্ষণ শুরু করলে মেজর শাফায়াত জামিল ১১ নম্বর প্লাটুনকে দরুইন গ্রামে আগের প্লাটুনের সাথে যোগ দেয়ার নির্দেশ দেন। ১১ নম্বর প্লাটুন নিয়ে হাবিলদার মুনির দরুইনে পৌছেন। সিপাহী মোহাম্মদ মোস্তফা কামাল তার নিকট থেকে গুলি নিয়ে নিজ পরিখায় অবস্থান গ্রহন করেন। পরদিন ১৮ এপ্রিল বেলা ১১ টার দিকে শুরু হয় শত্রুর গোলাবর্ষণ। সেই সময়ে শুরু হয় মুষলধারে বৃষ্টি। সাড়ে ১১টার দিকে মোগরা বাজার ও গঙ্গা সাগরের শত্রু অবস্থান থেকে গুলি বর্ষিত হয়। ১২ টার দিকে আসে পশ্চিম দিক থেকে সরাসরি আক্রমণ। প্রতিরক্ষার সৈন্যরা আক্রমণের তীব্রতায় বিহ্বল হয়ে পড়ে। কয়েক জন শহীদ হন। মোস্তফা কামাল মরিয়া হয়ে পাল্টা গুলি চালাতে থাকেন। তাঁর পূর্ব দিকের সৈন্যরা পেছনে সরে নতুন অবস্থানে সরে যেতে থাকে এবং মোস্তফাকে যাবার জন্য অনুরোধ করে। কিন্তু তাদের সবাইকে নিরাপদে সরে যাওয়ার সুযোগের জন্য মোস্তফা পূর্ণোদ্যমে এল.এম.জি থেকে গুলি চালাতে থাকেন। তাঁর ৭০ গজের মধ্যে শত্রুপক্ষ চলে এলেও তিনি থামেননি। এতে করে শত্রু রা তাঁর সঙ্গীদের পিছু ধাওয়া করতে সাহস পায়নি। এক সময় গুলি শেষ হয়ে গেলে, শত্রুর আঘাতে তিনিও লুটিয়ে পড়েন।সুত্রঃ বাংলা উইকিপিডিয়া অনলাইন।

Related Notes in Bangladesh

Relevant Reading & Practice Materials