একুশের গল্প- গুরুত্বপুর্ণ উক্তি ও লাইন

Ø  তপু তার বন্ধুদের সাথে কত বছর এক সাথে এক সাথে ছিল ?

দু’বছর।

Ø  তারা কতজন এক সাথে ছিল ?

তিন জন (লেখক, তপু, রাহাত)।

Ø  এদের মাঝে সবচেয়ে কে ছোট ছিল?

তপু।

Ø  বন্ধুদের মাঝে একমাত্র বিবাহিত কে ছিল?

তপু।

Ø  ‘তবু সে আবার ফিরে এসেছে আমাদের মাঝে।’ কে ফিরে এসেছে?

তপু।

Ø  চার বছর আগে তপুকে শেষ বারের মতো কোথায় দেখা গিয়েছিল?

হাইকোর্টের মোড়ে।

Ø  ‘ও ফিরে আসার পর থেকে আমরা সবাই যেন কেমন একটু উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছি।’ কার প্রসঙ্গে বলা হয়েছে?

তপু।

Ø  ‘একুশের গল্প’ রচনায় উল্লেখিত রুণী এক সময়ে শহরের সেরা নাচিয়ে ছিলো, পরে সে রাজনীতি করে।

Ø  ‘আগে তো পাটকাঠি ছিল, এখন বেশ মোটাসোটা হয়েছে।’-এই উক্তিটি কে কার প্রসঙ্গে করেছে?

তপু রুনীকে।

Ø  ‘কথা বলতে শুরু করলে যেন আর ফুরোতে চায় না।’ কার প্রসঙ্গে বলা হয়েছে ? তপু।

নেক্সট

Ø  তপু কি নিয়ে পড়াশোনা করতো?

ডাক্তারি।

Ø  তপুর এককালে কোথায় যাওয়ার শক ছিল?

মিলিটারিতে।

Ø  ‘আমি হলপ করে বলতে পারি, ওর মা-ও চিনতে পারবে না ওকে।’ কার প্রসঙ্গে বলা হয়েছে?

তপু।

Ø  ‘বিয়ে করবে না তো কি সারা জীবন বিধবা হয়ে থাকবে নাকি মেয়েটা।’ এই উক্তিটি কে কাকে করেছে?

সানু রেণু কে।

Ø  কলেজে ভর্তি হওয়ার কত দিনের মধ্যে তপু রেণু কে বিয়ে করে?

বছর খানেক (রেণু ছিল তপুর আত্মীয়া)।

Ø  রেণুর সৌন্দর্য বর্ণনা দোহারা গড়ন, ছিপছিপে কটি, আপেল রঙের চেহারা।

Ø  রেণু এলে তপু সহ তার বন্ধুরা চাঁদা তুলে কি খেত?

চা আর মিষ্টি।

Ø  কে গল্পের রাজা ছিল ?

তপু।

Ø  ‘যেমন হাসতে পারতো ছেলেটা, তেমনি গল্প করার ব্যাপারেও ছিল ওস্তাদ।’ কে এই ছেলেটা?

তপু।

নেক্সট

Ø  ‘যখন ও গল্প করতে শুরু করতো, তখন কাউকে কথা বলার সুযোগ দিতো না।’ কার প্রসঙ্গে বলা হয়েছে?

তপু।

Ø  কে ছিল জন্ম খোঁড়া ?

তপু|

Ø  তপুর ডান পা থেকে বাঁ পা কত ইঞ্চি ছোট ছিল?

দুই ইঞ্চি।

Ø  ‘আমাদের জীবনটা ছিলো যান্ত্রিক।’- এটি কোন রচনার অন্তর্গত? 

একুশের গল্প।

Ø  তপুরা কোথায় কোথায় বেড়াতে যেত?

ইস্কাটন, বুড়িগঙ্গা, আজিমপুরের পাশ দিয়ে কোন দুরবর্তী গাঁয়ে।

Ø  রেণু মাঝে মাঝে কি নিয়ে আসতো ?

ভাজা ডালমুট।

Ø  ‘এই পথের যদি শেষ না হতো কোনদিন। অনন্তকাল ধরে যদি এমনি চলতে পারতাম আমরা।’ এটি কোন রচনার অন্তর্গত? 

একুশের গল্প।

Øএকুশের গল্প’ রচনায় উল্লেখিত মিছিলটি মেডিকেলের গেট পেরিয়ে কোন স্থানের কাছা কাছি আসে ?

কার্জন হল।

Ø  মিছিলে কে স্লোগান দিচ্ছিল?

রাহাত।

Ø  মিছিলে কার হাতে মস্ত প্লাকার্ড ছিল ?

তপুর।

Ø  তপুর হাতের প্লাকার্ডে কি লেখা ছিল ?

রাষ্ট্রভাষা বাংলা চাই।

নেক্সট

Ø  ‘শুধু ওর শূন্য বিছানার দিকে তাকিয়ে মনটা ব্যথায় ভরে উঠতো।’- কার প্রসঙ্গে  এই উক্তিটি করা হয়েছে ?

তপু |

Ø  তপু মারা যাওয়ার পরে তার সিটে যে ছেলেটি আসে, সে ঐ সিটে কত বছর ছিল?

তিন বছর।

Ø  পরবর্তীতে ঐ ছেলেটি চলে যাওয়ার পর যে নতুন রুম ম্যাট  উঠে সে একটি মানুষের কঙ্কাল (স্কেলিটন-Skeleton) নিয়ে উঠে।

Ø  ‘একুশের গল্প’ রচনার শেষ চরণ- “বলতে গিয়ে গলাটা ধরে এলো ওর”। কার গলা ধরে এলো?

রাহাতের।

Ø  তপু কোন জায়গায় এসে গুলিবিদ্ধ হয়?

হাইকোর্টের মোড়ে।

Ø  ‘আর সে গর্ত দিয়ে নির্ঝরের মতো রক্ত ঝরছে তার।’ কার প্রসঙ্গে বলা হয়েছে?

তপুর।

Ø  তপু নিহত হওয়ায় কত বছর পর আবার ফিরে এসেছে?

চার বছর পর (কঙ্কাল হিসেবে)।

Ø  তপু মারা যাওয়ার পর তার স্ত্রী রেণু মেস থেকে কি কি নিয়ে যায় ? দুটো স্যুটকেস, একটা বইয়ের ট্রাঙ্ক, একটি বেডিং, একটি গরম কোট।

Ø  তপুর গরম কোটটি কার কাছে ছিল?

রাহাতের কাছে।

Ø  ‘একুশের গল্প’ রচনায় উল্লেখিত চরিত্র সমূহ-

তপু, নাজিম, রাহাত, বার্নাড শ, রেণু, সানু, রুনী।

Ø  ‘ওই যে লোকটা বলছিল সে বার্নাডশ হবে, পরশু রাতে মারা গেছে।’- বার্নাডশ কোন দেশের লেখক?

আয়ারল্যান্ড।

নেক্সট

Ø  বার্নাডশ কত সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার পান?

১৯৫২ সালে।

Ø  জহির রায়হান রচনাবলি কোন খণ্ড থেকে ‘একুশের গল্প’ গল্পটি নেওয়া হয়েছে?

দ্বিতীয় খণ্ড।

Ø  ‘একুশের গল্প’ রচনায় ব্যবহৃত ইংরেজি শব্দগুলোর পরিভষা

Anatomy (এনাটমি) > শরীরবিদ্যা;

Placard (প্ল্যাকার্ড) > প্রদর্শনের জন্য প্রচারপত্র।

Tibia-fibula (টিবিয়া-ফেবুলা)> জঙ্গাস্থি ও অনুজঙ্গাস্থি।

Skull (স্কাল) > মাথার খুলি;

Ø   ‘একুশের গল্প’ রচনার পটভূমি হচ্ছে?

১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন।

Ø   “সমুদ্রগভীর জনতা ধীরে ধীরে চলতে শুরু করেছে।”-এখানে ইঙ্গিত করা হয়েছে ?

ভাষা আন্দোলনের সময়কার মিছিলকে।

Ø   “পলকহীন চোখ জোড়া দিয়ে অশ্রুর ফোয়ারা নেমেছিল তার।” কার?

তপুর স্ত্রী রেণুর।

Ø   “ওঁর কান্না দেখে আমার নিজের চোখে পানি এসে গিয়েছিল?

মায়ের কান্না দেখে।

নেক্সট

Ø “যেমন হাসতে পারত ছেলেটা, তেমনি গল্প করার ব্যাপারেও ছিল
ওস্তাদ।” ছেলেটা কে?

তপু।

“ওর মাকে ডাকো, আমি হলপ করে বলতে পারি, ওর মাও চিনতে পারবে না ওকে।” কাকে?

তপুকে।

Ø   “একি তুমি আবার কবি হলে কবে থেকে" কে কাকে? 

রাহাত, তপুকে বলছে।

Ø   “দোহাই তোমার বাড়ি চল। মা কাঁদছেন।” বলেছে

রেণু, তপুকে উদ্দেশ্য করে।

Ø   “এই যে আঁকাবাঁকা লালমাটির পথ এ পথের যদি শেষ না হতো কোনদিন। অনন্তকাল ধরে যদি এমনি চলতে পারতাম আমরা।”  উক্তিটি?

তপুর।

Ø   “কিন্তু বয়সে ছোট হলে কি হবে, ও-ই ছিলো একমাত্র বিবাহিত।” কে - তপু।

Ø   “বিয়ে করবে না তো কি সারা জীবন বিধবা হয়ে থাকবে নাকি মেয়েটা।” বলা হয়েছে- তপুর স্ত্রী, রেণু সম্পর্কে।

Ø   “ভাবছি ডাক্তারিটা পাশ করতে পারলে এ শহরে আর থাকবো না, গাঁয়ে চলে যাবো।” গাঁয়ে চলে যাবে ? তপু।

 

Subject

Bangla