পদ্মা নদীর মাঝি (Padma Nadir Majhi) গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ২

  রাসু গোপীকে উপহার দিয়েছিল - পিতলের আংকটি আর পুঁতির মালা।

  ময়নাদ্বীপ থেকে রাসু এসেছিল - বৈশাখ মাসে, পালিয়ে।

  হোসেনের বিয়ে - দুইটি।

  হোসেনের ব্যবহার - অমায়িক।

 সিধুর মতলব ছিল- কুবেরের বাড়ি থেকে তেল মসলা আর চাল নেওয়া।

   মেজকর্তার নাম - অনন্ত তালুকদার।

  একদিন অধরের সঙ্গে কুবেরের দেখা হল - গোয়ালন্দে।

 গণেশের জ্যাঠার নাম - হীরু।

   হোসেন মিয়া - রহস্যময় লোক।

   হোসনে মিয়া জমিদারী পত্তন করিতেছিল - ময়নাদ্বীপে।

   রাসুর বাবার নাম - বিন্দা মাঝি।

  সোনাখালী গ্রাম - পদ্মার ওপারে।

   মেজকর্তা দখল পেয়েছেন - হাঁসচরে।

  হোসেন মিয়ার মানিব্যাগ থেকে কুবের চুরি করেছিল - একটি আধুলি কটা সিকি এবং একটি আনি।

  দোল উৎসবের দিন কপিলা কুবেরের গায় ঢেলে দিয়েছিলে - একভাড় চুন হলুদ।

ü   গভীর রাতে কুবের নদীর ঘাটে সাদা কাপড় পরে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখেছিল - কপিলাকে।

  পীতম মাঝির চুরি যাওয়া ঘটিটি পাওয়া গিয়েছিল - কুবেরর ঢেঁকি ঘরের পাটকাঠির বোঝার তলে।

  গণেশ সুখে-দুঃখে পরামর্শ গ্রহণ করে - কুবেরের।

   কুবেরের কাপড়ের দৈর্ঘ্য - তিন হাত।

   ধনঞ্জয় কুবেরকে মাছের হিসাব দিয়েছিল-দুইশ সাতপঞ্চাশ খানা।

  নকুল দাস - কুবেরের প্রতিবেশী।

 কুবের আগুনের ব্যবস্থা করিয়াছিল -দেবীগঞ্জের রেল কোম্পানীর কয়লা চুরি করে।

   কপিলা পূজা দেখতে গিয়েছিল - লখার সাথে।

   গোপীকে হাসপাতালে নেওয়া হল - যুগলের নৌকায়।

  ময়নাদ্বীপ যাওয়ার পথে নৌকার পাটাতনের নিচে হোসেন মিয়া লুকিয়ে রেখেছিল- আফিম।

  পীতমের সারা জীবনের সঞ্চয় ছিল - সাতকুড়ি তের টাকা।

 গতবার ফিরিয়া হোসেন প্রত্যেক মাঝিকে বখশিস দিয়াছিল - দশ টাকা করে।

  হাসপাতাল অবস্থিত - আমিনবাড়ি।

  আমিনুদ্দি সিদ্ধান্ত নিয়েছিল - ময়নাদ্বীপে যাবার।

  শ্যামাদাসের বাড়ি - আকুরটাকুর গ্রামে।

   আকুর টাকুর গ্রামের দূরত্ব - বার-তের মাইল।

  শ্যামাদাসের বাড়িতে ঘর ছিল - চারভিটায় চারখানা।

   গোপীকে হাসপাতালে নিয়ে যেতে বলল - হোসেন মিয়া।

  হোসেন মিয়া কুবেরর জন্য খত লিখেছিল - একুশ টাকা দশ আনা।

Subject

Bangla