রাসু গোপীকে উপহার দিয়েছিল - পিতলের আংকটি আর পুঁতির মালা।
ময়নাদ্বীপ থেকে রাসু এসেছিল - বৈশাখ মাসে, পালিয়ে।
হোসেনের বিয়ে - দুইটি।
হোসেনের ব্যবহার - অমায়িক।
সিধুর মতলব ছিল- কুবেরের বাড়ি থেকে তেল মসলা আর চাল নেওয়া।
মেজকর্তার নাম - অনন্ত তালুকদার।
একদিন অধরের সঙ্গে কুবেরের দেখা হল - গোয়ালন্দে।
গণেশের জ্যাঠার নাম - হীরু।
হোসেন মিয়া - রহস্যময় লোক।
হোসনে মিয়া জমিদারী পত্তন করিতেছিল - ময়নাদ্বীপে।
রাসুর বাবার নাম - বিন্দা মাঝি।
সোনাখালী গ্রাম - পদ্মার ওপারে।
মেজকর্তা দখল পেয়েছেন - হাঁসচরে।
হোসেন মিয়ার মানিব্যাগ থেকে কুবের চুরি করেছিল - একটি আধুলি কটা সিকি এবং একটি আনি।
দোল উৎসবের দিন কপিলা কুবেরের গায় ঢেলে দিয়েছিলে - একভাড় চুন হলুদ।
ü গভীর রাতে কুবের নদীর ঘাটে সাদা কাপড় পরে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখেছিল - কপিলাকে।
পীতম মাঝির চুরি যাওয়া ঘটিটি পাওয়া গিয়েছিল - কুবেরর ঢেঁকি ঘরের পাটকাঠির বোঝার তলে।
গণেশ সুখে-দুঃখে পরামর্শ গ্রহণ করে - কুবেরের।
কুবেরের কাপড়ের দৈর্ঘ্য - তিন হাত।
ধনঞ্জয় কুবেরকে মাছের হিসাব দিয়েছিল-দুইশ সাতপঞ্চাশ খানা।
নকুল দাস - কুবেরের প্রতিবেশী।
কুবের আগুনের ব্যবস্থা করিয়াছিল -দেবীগঞ্জের রেল কোম্পানীর কয়লা চুরি করে।
কপিলা পূজা দেখতে গিয়েছিল - লখার সাথে।
গোপীকে হাসপাতালে নেওয়া হল - যুগলের নৌকায়।
ময়নাদ্বীপ যাওয়ার পথে নৌকার পাটাতনের নিচে হোসেন মিয়া লুকিয়ে রেখেছিল- আফিম।
পীতমের সারা জীবনের সঞ্চয় ছিল - সাতকুড়ি তের টাকা।
গতবার ফিরিয়া হোসেন প্রত্যেক মাঝিকে বখশিস দিয়াছিল - দশ টাকা করে।
হাসপাতাল অবস্থিত - আমিনবাড়ি।
আমিনুদ্দি সিদ্ধান্ত নিয়েছিল - ময়নাদ্বীপে যাবার।
শ্যামাদাসের বাড়ি - আকুরটাকুর গ্রামে।
আকুর টাকুর গ্রামের দূরত্ব - বার-তের মাইল।
শ্যামাদাসের বাড়িতে ঘর ছিল - চারভিটায় চারখানা।
গোপীকে হাসপাতালে নিয়ে যেতে বলল - হোসেন মিয়া।
হোসেন মিয়া কুবেরর জন্য খত লিখেছিল - একুশ টাকা দশ আনা।
Subject
Bangla