‘পদ্মা নদীর মাঝি’ উপন্যাসের কেন্দ্রীয় চরিত্র- কুবের।
‘পদ্ম নদীর মাঝি’ উপন্যাসের নায়িকা- কপিলা।
কুবেরের শ্যালিকা-কপিলা।
কপিলার স্বামীর নাম - শ্যামাদাস।
কুবেরের স্ত্রীর নাম- মালা।
হোসেন মিয়ার বাড়ি - নোয়াখালীতে।
গণেশ - কুবেরের মাছ ধরার সঙ্গী।
জেলে পাড়াটি অবস্থিত - পূর্বদিকে গ্রামের বাহিরে।
কুবেরের বাড়ি - কেতুপুর গ্রামে।
যদুর বাড়ি - নড়াইল।
জেলেদের বেশি উপার্জন হয় - ইলিশের মৌসুমে।
বিপুল পদ্মা কৃপণ হইয়া যায় - ইলিশের মরুশুম ফুরাইলে।
কুবের ও গণেশ ভাগ পায় - মোট টাকার অর্ধেক।
সন্ধা বেলায় বিক্রি হচ্ছিল- পৌনে পাঁচ, পাঁচ এবং সোয়া পাঁচ টাকা দরে।
শীতলের শরীরের গঠন - বেটে ও মোটা।
শীতল কুবেরের নিকট মাছ আনতে বলেছিল - তিনটা।
কুবেরের অনুগত ব্যক্তি - গণেশ।
কুবেরের কলকেটির বয়স - দেড় বছর।
কুবের মাছ ধরতেছে - ১২ বছর বয়স হতে।
গণেশ ছিল - সহজ সরল এবং কিছুটা বোকা।
জলে পাড়ার বাড়িগুলি - গায়ে গায়ে ঘেঁসা।
জেলেদের অধিকাংশের উপজীবিকা -পদ্মা এবং পদ্মার খালগুলি।
কুবের মাছ ধরে- ধনঞ্জয়ের জাল ও নৌকায়।
প্রতিরাত্রে ধনঞ্জয় ভাগ পায়- অর্ধেক।
চালান খুড়ার প্রকৃত নাম - ধনঞ্জয়।
কুবেরের মেয়ের নাম- গোপী।
সোনাখালী থেকে মোহনপুর পর্যন্ত রাস্তার দৈর্ঘ্য - দশ মাইল।
মেলায় সবচেয়ে বেশি ভিড় হয় - বালাখেলার কাছে।
লাখা ও চণ্ডী - কুবেরের ছেলে।
পদ্মা নদীর মাঝি উপন্যাসের ঋতুর পরিচয় পাওয়া যায় - বর্ষার।
কুবের মাছ ধরতে ছিল - দেবীগঞ্জের মাইল দেড়েক উজানে।
কলিকাতার বাতাসে গন্ধ পাওয়া যাবে - পদ্মার ইলিশ মাছ ভাজার।
রাসুর মামার নাম - পীতম।
মেলা থেকে সিধু সংগ্রহ করেছিল - তিনটি দাগধরা ফজলি আম, একটা তুলতুলে পাকা আস্ত খাজা কাঁঠাল, সের তিনেক একত্রে মেশানো চাল-ডাল খুদ আর খাসির একটা মাথা।
খাসির মাথাটি সিধু কিনে ছিল - চৌদ্দ পয়সায়।
খাসির মাথার সিং দুটি ছিল - মইয়ের মত।
মালার বাপের বাড়ি - চরডাঙ্গা গ্রামে।
বৈকুণ্ঠ - মালার বাপ।
Subject
Bangla