ক্লাউড কম্পিউটিং হলো ইন্টারনেটের মাধ্যমে বিভিন্ন কম্পিউটিং রিসোর্স যেমন স্টোরেজ, প্রসেসিং পাওয়ার, সফটওয়্যার ইত্যাদি ভাড়া নেওয়ার একটি পদ্ধতি। এটি তিনটি প্রধান সেবা মডেলে বিভক্ত: IaaS (Infrastructure as a Service), PaaS (Platform as a Service) এবং SaaS (Software as a Service)। উদাহরণস্বরূপ, গুগল ড্রাইভ হলো SaaS মডেলের ক্লাউড স্টোরেজ সেবা, যেখানে ব্যবহারকারীরা তাদের ফাইলগুলো ইন্টারনেটের মাধ্যমে সংরক্ষণ ও শেয়ার করতে পারেন।
ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের সুবিধাগুলোর মধ্যে রয়েছে খরচ সাশ্রয়, সরাসরি হার্ডওয়্যার ব্যবস্থাপনার প্রয়োজনীয়তা হ্রাস এবং যেকোনো স্থান থেকে অ্যাক্সেসযোগ্যতা। তবে এর কিছু অসুবিধাও রয়েছে, যেমন ডেটা প্রাইভেসি এবং ইন্টারনেট নির্ভরশীলতা। বাংলাদেশেও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ক্লাউড সেবা ব্যবহার করছে, যেমন সরকারি প্রতিষ্ঠানে ই-সেবা প্রদান এবং শিক্ষা ক্ষেত্রে অনলাইন লার্নিং প্ল্যাটফর্ম হিসেবে। BCS পরীক্ষায় ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের ধারণা ও এর বিভিন্ন মডেল সম্পর্কে জানা অত্যন্ত জরুরি।