ডিজিটাল স্বাক্ষর হলো একটি ইলেকট্রনিক মাধ্যম যা কোনো ডকুমেন্ট বা বার্তার সত্যতা ও অপরিবর্তনীয়তা নিশ্চিত করে। এটি হ্যাশিং এবং এসিমেট্রিক ক্রিপ্টোগ্রাফি প্রযুক্তির উপর ভিত্তি করে কাজ করে। যখন কোনো ব্যবহারকারী একটি ডকুমেন্টে ডিজিটাল স্বাক্ষর করেন, তখন সিস্টেমটি ডকুমেন্টটির একটি ইউনিক হ্যাশ মান তৈরি করে এবং সেই হ্যাশকে ব্যক্তিগত কী দিয়ে এনক্রিপ্ট করে। প্রাপক তখন সেই হ্যাশকে পাবলিক কী দিয়ে ডিক্রিপ্ট করে মূল ডকুমেন্টের সাথে মিলিয়ে দেখেন, যদি মিলে যায় তাহলে ডকুমেন্টটি অপরিবর্তিত এবং স্বাক্ষরকারী কর্তৃক অনুমোদিত বলে গ্রহণ করা হয়।
ডিজিটাল স্বাক্ষরের প্রধান সুবিধাগুলোর মধ্যে রয়েছে ডেটা সুরক্ষা, নিরাপদ লেনদেন এবং কাগজবিহীন অফিস ব্যবস্থাপনা। বাংলাদেশ সরকারও বিভিন্ন সরকারি সেবায় ডিজিটাল স্বাক্ষর ব্যবহারের প্রচলন করছে, যেমন ই-ফাইলিং, ই-টেন্ডারিং ইত্যাদি। এটি প্রতারণামূলক কর্মকাণ্ড রোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। BCS পরীক্ষায় ডিজিটাল স্বাক্ষরের ধারণা এবং এর প্রযুক্তিগত দিকগুলো বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ।