“মাথার ভাগ দিবান আইঠা কলা দিব, দেইখো।”- মালা, কুবেরকে।
“জীবন তাহাকে অলস করিয়া বিষণ্ন করিয়াছে। ভাই বোনদের কাছে পাইয়া কতকাল পরে যে মুখ তাহার বিষণ্নতার ছায়া লেকাহীন হাসি ফুটিল।"- মালার।
“ঘরের লক্ষ্মী যেন চলিয়া গেছে কপিলার সঙ্গে পরিপূর্ণভাবে ক্ষুধার নিবৃত্তি আর হইতেছে না।"- ঘরের লক্ষ্মী কপিলা।
“পাপ মাইখা মরিস কেনে কপিলা? মাইনসে কইব কি ? যা বাড়ি যা।” -কুবের, কপিলাকে।
“দুষ্ট কইরে। মাঝি শাইপো- কিন্তু এই কথাডা কইও দিদিরে। মাথা খাও মাঝি কইও।”- কপিলার উক্তি।
“একটু জিরাইগো আজান খুড়া"- কবেরের উক্তি।
ঈশ্বর থাকেন ঐ গ্রামে, ভদ্রপল্লীতে, এইখানে তাহাকে খুঁজিয়া পাওয়া যাইবে না। -মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের খেদোক্তি।
“সাঁঝের দরটা জিগা দেখি কুবের" - ধনঞ্জয়ের উক্তি।
“মনে মনে সকলেই যাহা জানে মুখ ফুটিয়া তাহা বলিবার অধিকার তাহার নাই।" - মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় বঞ্চিতদের সম্পর্কে।
“একখানা গীত ক দেখি কুবির।"- গণেশের মিনতি।
“শ্যাষ রাইতে তর বৌর ছাওয়াল হইছে কুবির।"-নকুলের উক্তি।
“চুপ যা গণেশ। পোলা দিয়ে করম কি? নিজেগোর খাওনা জোটেনা পোলা!" -কুবেরের উক্তি।
পোলা হইব কই নাই কুবির ? কইনাই এইবার তোর পোলা না হইয়া যায় না?- গণেশের কথা।
“ক্যান কমু জ্যাঠা? বজ্জাতটা আমারে যা মুখে লয় কয়না?" -নকুল সম্পর্কে, গোপী।
তোমাগো দেইখা মুখে রাও সরে না, কতকাল পরে ফিরে আলাম।"- রাসু, কুবেরকে।
“গরীব বইলা চাল কর্জ না দেওনের মত গরীব আমি না, জাইনা থুইস।”- গণেশকে, কুবের।
“তা শুইনা তোর কাম কি ? মাইয়া লোক চুপ মাইরা থাক।" -মালাকে, কুবের।
মনের ক্রিয়াগুলি তার অত্যন্ত শ্লথ গতিতে সম্পন্ন হয়। সে কোন কথা বলিলে লোকে যে তাহাকে অবহেলা করিয়াই কথা কানে তোরে না এটুকুও সে বুঝিতে পারে না।- গণেশ সম্পর্কে বলা হয়েছে।
“জলে-স্থলে মানুষের অবিরাম জীবন প্রবাহ।"- পদ্মার ঘাট সম্পর্কে।
“যে যাহারে ভালবাসে সে তাহারে পায় না।"- গণেশের গানের কথা।
নাই কিরে নাই ? রোজ আমারে মাছ দেওনের কথা না তর? -শীতল, কুবেরকে।
“কতটি মাছ হইল আজান খুড়া ? শ‘চারের কম না অ্যা? -কুবেরের উক্তি।
“তিনডা মাছ আইজ তুই দে কুবের। অমন করস ক্যান?" পয়সা নয় কয়ডা বেশিই লইস, আই ?- কুবেরকে, শীতল।
Subject
Bangla