জীবন-বন্দনা- গুরুত্বপূর্ণ চরণ ও তথ্য

  •  কাজী নজরুল ইসলাম ‘জীবন বন্দনা’ কবিতায় নিজেকে কি হিসেবে অভিহিত করেছেন?- মরুকবি।
  • তরুনদেরকে যারা সমালোচনা করে কবি তাদের কে কী বলে আখ্যায়িত করেছেন?-কুপমন্ডুক।
  • কাজী নজরুল ইসলাম স্থায়ীভাবে বাংলাদেশে আসেন ১৯৭৪ সালের ২৩ মে।
  • জীবন বন্দনা কবিতায় কোন গ্রহের উল্লেখ আছে- মঙ্গল।
  • ‘গাহি তাহাদের গান-ধরণীর হাতে দিল যারা আনি ফসলের ফরমান।’ -এখানে জয়গান করা n‡q‡Q- যারা কঠিন শ্রম দিয়ে পৃথিবীকে ভরে দিচ্ছে ফুল ও ফলে।
  • জীবন-বন্দনা কবিতায় উল্লেখ আছে-বাঘ, ময়ূর, সিংহ ও সাপের।
  • “খেয়াল-খুশিতে কাটি অরণ্য রচিয়া অমরাবতী”- এখানে ‘অমরাবতী’ মানে-স্বর্গ।
  • উল্কার মত ঘুরিছে ধরণী শূন্যে কীসের বেগে- অমিত বেগে।
  • ‘জীবন-বন্দনা’ কবিতায় কবি কাদের বন্দনা গেয়েছেন - কৃষককুলের, শ্রমজীবী মানুষের, আদিম মানুষের, যাযাবরদের, তারুণ্যের, বিপ্লবীদের।
  • ‘জীবন-বন্দনা’ কবিতায় সংকীর্ণমনারা ‘অসংযমী’ বলে গালি দিয়েছে- অস্থির তরুণদের।
  • যারা জীবনের পসরা বহিয়া মৃত্যুর দ্বারে দ্বারে
  • ‘চলেছে চন্দ্র-মঙ্গল-গ্রহে স্বর্গে অসীমাকাশে’- এর পরের চরণ কি? “যারা জীবনের পসরা বহিয়া মৃত্যুর দ্বারে দ্বারে”
  • ‘জীবন-বন্দনা’ কবিতাটিতে নজরুলের কোন মনোভাবের সুস্পষ্ট প্রতিফলন আছে?  মানব মুক্তির।

Subject

Bangla