Return code: 0 Output: উপকূলীয় স্রোত ও সামুদ্রিক পরিবেশের গুরুত্ব | EduVai
VARIANT_MARKER_field

বাংলাদেশের ৯২০ কিলোমিটার সমুদ্রসীমা রয়েছে, যার মধ্যে গঙ্গা‑ব্রহ্মপুত্র ডেল্টা ও সাগরের সংযোগস্থলগুলোতে শক্তিশালী উপকূলীয় স্রোত (যেমন মোসাম স্রোত এবং জ্যোতিষ্ক স্রোত) প্রবাহিত হয়। এই স্রোতগুলো সামুদ্রিক পরিবেশের লবণাক্ততা, তাপমাত্রা ও পুষ্টি সমৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণ করে, যা মাছ উৎপাদন ও সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্যের জন্য অপরিহার্য।

উপকূলীয় স্রোতগুলো ভূমি ক্ষয়, বালু স্খলন ও সুনামি ঝুঁকি বৃদ্ধি করে। তাই BCS পরীক্ষায় উপকূলীয় স্রোতের দিক, গতি ও প্রভাব, এবং সেগুলোর পরিচালনা (যেমন সমুদ্রতট সংরক্ষণ, সমুদ্রসীমা রক্ষার নীতি) সম্পর্কে প্রশ্ন করা হতে পারে।

সামুদ্রিক পরিবেশের সুরক্ষা ও টেকসই ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে সরকারী প্রকল্প (যেমন সাগর-সীমান্ত রিজার্ভ ও বায়োডাইভার্সিটি সংরক্ষণ) গৃহীত হয়েছে। এই বিষয়গুলো BCS পরিবেশ ও ভূগোলের প্রবন্ধে প্রায়ই উল্লেখিত হয়।