Return code: 0 Output: মহাসাগরীয় নিরাপত্তা ও চীন-ইন্ডিয়া সমুদ্র কূটনৈতিক দ্বন্দ্ব | EduVai
VARIANT_MARKER_field

মহাসাগরীয় নিরাপত্তা আন্তর্জাতিক শিপিং, বাণিজ্য ও জ্বালানি সরবরাহের জন্য অপরিহার্য। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে চীন ও ভারত দুই দেশের সমুদ্রসীমা ও এক্সক্লুসিভ ইকোনমিক জোন (EEZ) সংক্রান্ত বিরোধের ফলে ভারতীয় মহাসাগরে কৌশলগত উত্তেজনা বৃদ্ধি পেয়েছে। চীন ‘নাইন-ডট লাইন’ ভিত্তিক ‘সিল্ক রোড ইনিশিয়েটিভ’ (BRI) এর অংশ হিসেবে বহু বন্দর ও সামুদ্রিক অবকাঠামো নির্মাণে জড়িত, যেখানে ভারত তার ঐতিহাসিক প্রভাব বজায় রাখতে ‘এক্স-ইন্ডিয়া’ নীতি অনুসরণ করে।

ইন্টারন্যাশনাল সামুদ্রিক আইন (UNCLOS) অনুযায়ী দেশগুলোকে তাদের EEZ-তে সম্পদ অনুসন্ধান ও শোষণের অধিকার আছে, তবে সীমান্ত অতিক্রমের ক্ষেত্রে দ্বিপাক্ষিক চুক্তি ও কূটনৈতিক সমঝোতা প্রয়োজন। যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া ও জাপানও ইন্ডো-প্যাসিফিক অঞ্চলে ‘ফ্রি অ্যান্ড ওপেন ইনডি’ নীতি অনুসরণ করে চীন-ইন্ডিয়া দ্বন্দ্বে অংশগ্রহণকারী হিসেবে নিজস্ব কৌশলগত স্বার্থ রক্ষা করে।

BCS পরীক্ষায় মহাসাগরীয় নিরাপত্তা, UNCLOS এর মূল ধারাসমূহ, ও চীন-ইন্ডিয়া সমুদ্র কূটনৈতিক সম্পর্কের বিশ্লেষণমূলক প্রশ্ন প্রায়ই উঠে আসে। তাই এই বিষয়ের মূল ধারণা, প্রধান আন্তর্জাতিক আইনি কাঠামো এবং অঞ্চলভিত্তিক কৌশলগত স্বার্থের পারস্পরিক প্রভাব বোঝা জরুরি।