ক্লাউড কম্পিউটিং হলো ইন্টারনেটের মাধ্যমে বিভিন্ন কম্পিউটিং সেবা যেমন সার্ভার, স্টোরেজ, ডেটাবেজ, সফটওয়্যার ইত্যাদি প্রদান করা। ক্লাউড সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান যেমন Amazon Web Services (AWS), Microsoft Azure ও Google Cloud-এর মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা প্রয়োজন অনুযায়ী সম্পদ ভাড়া নিতে পারে। এটি ব্যবহারকারীদের জন্য অধিক নমনীয়তা, খরচ সাশ্রয় ও সহজ ব্যবস্থাপনা প্রদান করে।
বাংলাদেশে ক্লাউড কম্পিউটিং-এর ব্যবহার দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। সরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে শুরু করে বেসরকারি খাতেও ক্লাউড সেবা গ্রহণ করা হচ্ছে। উদাহরণস্বরূপ, ব্যাংকিং খাতে গ্রাহকের তথ্য সংরক্ষণ ও ব্যবস্থাপনার জন্য ক্লাউড সেবা ব্যবহার করা হচ্ছে। এছাড়া, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে অনলাইন ক্লাস ও পরীক্ষার ব্যবস্থাপনার জন্য ক্লাউড কম্পিউটিং গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
BCS পরীক্ষায় ক্লাউড কম্পিউটিং সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই আসে, বিশেষ করে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগে। ক্লাউড কম্পিউটিং-এর মূল ধারণা, এর সুবিধা ও প্রয়োগ ক্ষেত্র সম্পর্কে ভালো ধারণা থাকা প্রয়োজন। এছাড়া, ক্লাউড কম্পিউটিং-এর নিরাপত্তা ও গোপনীয়তা সম্পর্কেও সচেতন থাকতে হবে।