জীববিজ্ঞানে জীবনচক্রের অধ্যয়ন একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়, বিশেষত বাংলাদেশের প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষা যেমন BCS এর জন্য। উদ্ভিদ ও প্রাণীদের জীবনচক্রের মধ্যে অনেক পার্থক্য রয়েছে। উদ্ভিদের জীবনচক্রের প্রধান ধাপগুলি হল শুক্রাণু ও বীজাণু উৎপাদন, বীজ বা বীজাণু দ্বারা প্রজনন, এবং প্রাক-প্রজনন ও পর-প্রজনন পর্যায়। উদাহরণস্বরূপ, ফুলদার উদ্ভিদের জীবনচক্রে অঙ্গসংস্থান (গ্যামেটোফাইট) ও বীজদান (স্পোরোফাইট) পর্যায় অন্তর্ভুক্ত থাকে। অন্যদিকে, প্রাণীদের জীবনচক্রে গ্যামেটোফাইট পর্যায়ের পরিবর্তে গ্যামেট (শুক্রাণু ও ডিম্বাণু) উৎপাদন ও সংলগ্নকরণ ঘটে।
প্রাণীদের জীবনচক্রের মধ্যে অপার (asexual) ও লিঙ্গবৈচিত্র্য (sexual) প্রজনন পদ্ধতি রয়েছে। উদাহরণস্বরূপ, হাইড্রা অপার প্রজননের মাধ্যমে বংশবৃদ্ধি করে, যেখানে মানব ও পাখি লিঙ্গবৈচিত্র্যের মাধ্যমে বংশবৃদ্ধি করে। উদ্ভিদের ক্ষেত্রে, বিভাজন (vegetative propagation), পুষ্পজীবন (flowering), এবং বীজ উৎপাদন প্রজননের প্রধান পদ্ধতি।
BCS পরীক্ষায় জীবনচক্রের প্রশ্নে সাধারণত উদ্ভিদ ও প্রাণীর মধ্যে তুলনা, জীবনচক্রের ধাপ, এবং প্রজনন পদ্ধতির বিবরণ চাওয়া হয়। উদাহরণস্বরূপ, ম্যানগ্রোভ উদ্ভিদের জীবনচক্রের সাথে কাঁকড়ার জীবনচক্রের তুলনা করতে পারে।
জীবনচক্রের অধ্যয়ন থেকে বোঝা যায় যে জীবের বংশবৃদ্ধির পদ্ধতি তাদের পরিবেশের সাথে সম্পর্কিত। উদাহরণস্বরূপ, জলজ জীবের ক্ষেত্রে বিভাজন পদ্ধতি বেশি প্রচলিত, যেখানে স্থলজ জীবের ক্ষেত্রে লিঙ্গবৈচিত্র্য বেশি দেখা যায়।