ব্লু ইকোনমি কী: সমুদ্রের সম্পদকে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করে টেকসই উপায়ে অর্থনৈতিক উন্নয়নে ব্যবহার করার ধারণাই হলো ব্লু ইকোনমি বা নীল অর্থনীতি।
বাংলাদেশের প্রেক্ষাপট: মিয়ানমার (২০১২) এবং ভারতের (২০১৪) সাথে সমুদ্রসীমা বিরোধ নিষ্পত্তির পর বাংলাদেশ বঙ্গোপসাগরে ১,১৮,৮১৩ বর্গকিলোমিটার টেরিটোরিয়াল সমুদ্র এলাকা লাভ করেছে।
সম্ভাবনাময় খাতসমূহ:
- মৎস্য সম্পদ আহরণ ও সামুদ্রিক শৈবাল চাষ।
- তেল, গ্যাস ও অন্যান্য মূল্যবান খনিজ সম্পদ অনুসন্ধান।
- সামুদ্রিক বন্দর ও নৌ-পরিবহন ব্যবস্থার আধুনিকায়ন।
- উপকূলীয় পর্যটন শিল্প ও নবায়নযোগ্য শক্তি উৎপাদন।
বঙ্গোপসাগরের এই বিশাল নীল অর্থনীতি বাংলাদেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধিতে এবং ভবিষ্যৎ জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।