বায়ুমণ্ডল পৃথিবীর চারপাশে অবস্থিত গ্যাসীয় স্তর, যা পৃথিবীকে জীবনদায়ক করে তোলে। এটি ৫টি প্রধান স্তরে বিভক্ত: ট্রোপোস্ফিয়ার, স্ট্রাটোস্ফিয়ার, মেসোস্ফিয়ার, থার্মোস্ফিয়ার এবং এক্সোস্ফিয়ার। ট্রোপোস্ফিয়ার (০-১২ কিমি উচ্চতা) হলো জীবনের প্রধান স্তর, যেখানে আবহাওয়া পরিবর্তন, বৃষ্টি ও মেঘ গঠন হয়। এই স্তরে তাপমাত্রা উচ্চতায় হ্রাস পায় (ল্যাপস রেট ৬.৫°C প্রতি কিলোমিটার)।
স্ট্রাটোস্ফিয়ার (১২-৫০ কিমি উচ্চতা) এ ওজোন স্তর অবস্থিত, যা সূর্যের UV রশ্মিকে শোষণ করে পৃথিবীকে রক্ষা করে। এই স্তরে তাপমাত্রা উচ্চতায় বৃদ্ধি পায় (ওজোনের কারণে)। মেসোস্ফিয়ার (৫০-৮৫ কিমি উচ্চতা) এ তাপমাত্রা আবার হ্রাস পায় এবং মেটিওর (তারা) এই স্তরে পুড়ে যায়। থার্মোস্ফিয়ার (৮৫-৬০০ কিমি উচ্চতা) এ তাপমাত্রা আবার বৃদ্ধি পায় (সৌর বিকিরণের কারণে) এবং আইওনোস্ফিয়ার অবস্থিত, যা রেডিও তরঙ্গকে প্রতিফলিত করে।
এক্সোস্ফিয়ার (৬০০ কিমি থেকে উপরে) হলো বায়ুমণ্ডলের সর্বোচ্চ স্তর, যেখানে গ্যাসগুলি পৃথিবী থেকে দূরে ছড়িয়ে পড়ে। এই স্তরে হাইড্রোজেন ও হিলিয়াম গ্যাসের ঘনত্ব বেশি। BCS পরীক্ষায় বায়ুমণ্ডলের স্তরসমূহের বৈশিষ্ট্য, তাদের তাপমাত্রা পরিবর্তন এবং তাদের ভূমিকা সম্পর্কে প্রশ্ন আসতে পারে। যেমন, ওজোন স্তরের ক্ষতি কীভাবে পরিবেশকে প্রভাবিত করে?
বায়ুমণ্ডলের স্তরসমূহের মধ্যে ট্রোপোস্ফিয়ার ও স্ট্রাটোস্ফিয়ার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এগুলো জীবন ও আবহাওয়ার নিয়ন্ত্রণে সরাসরি ভূমিকা রাখে। থার্মোস্ফিয়ার এ আইএসএস (আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশন) অবস্থিত। BCS প্রস্তুতির জন্য এই স্তরসমূহের উচ্চতা, তাপমাত্রা পরিবর্তন এবং তাদের বৈজ্ঞানিক গুরুত্ব সম্পর্কে নিশ্চিত জ্ঞান প্রয়োজন।