বাংলাদেশের রাজনৈতিক ব্যবস্থা একটি সংসদীয় গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র। ১৯৭১ সালে স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর সংবিধান প্রণীত হয়। এটি একটি সাম্য ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে রচিত, যেখানে রাষ্ট্রপতি প্রধান নির্বাহী এবং প্রধানমন্ত্রী সরকারের প্রধান। সংসদে ৩৫০ জন সদস্য নির্বাচিত হয়, যার মধ্যে ৫০টি আসন মহিলা ও ১০টি আসন মুক্তিযোদ্ধা সংরক্ষিত।
সংবিধানের মৌলিক অধিকার অংশে নাগরিকদের স্বাধীনতা, সমানতা, ধর্মীয় স্বাধীনতা, ভাষা ও সংস্কৃতির অধিকার নিশ্চিত করা হয়েছে। তবে ২০১১ সালের সংশোধনীতে রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব ও ক্ষমতা বৃদ্ধি পেয়েছে। বর্তমান সংবিধান ২০১১ সালের সংশোধনীসহ ১৯৭২ সালের মূল সংবিধানের উপর ভিত্তি করে প্রণীত।
বাংলাদেশের রাজনৈতিক দলসমূহের মধ্যে আওয়ামী লীগ এবং বিএনপি প্রধান। তবে ২০১৮ সালের নির্বাচনে একদলীয় শাসনের সমালোচনা ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠেছে। সংবিধান অনুযায়ী স্বাধীন ও নিরপেক্ষ নির্বাচন কমিশন নির্বাচন পরিচালনা করে, কিন্তু এর কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন উঠে থাকে।
সংবিধানের অধ্যায় ৭ (রাষ্ট্রপতি) ও অধ্যায় ৮ (প্রধানমন্ত্রী) প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতা ও দায়িত্বের বিবরণ দেয়। প্রধানমন্ত্রী সংসদের অধিবেশনে সরকারের নীতি ঘোষণা করেন এবং সংসদে সরকারের কার্যক্রমের জন্য দায়বদ্ধ হন।