অধ্যায়-৪
প্রিয় শিক্ষার্থী, তোমাদের অনুশীলনের জন্য আজ দেয়া হলো বিজ্ঞান বিষয় থেকে সঠিক উত্তর ও সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর।
সঠিক উত্তরটি খাতায় লেখ।
৯। দূষিত বায়ুর প্রভাবে মানুষের কোন রোগটি হয়?
ক. টাইফয়েড খ. কলেরা
গ. ব্রঙ্কাইটিস ঘ. ইনফ্লুয়েঞ্জা।
উত্তর : গ. ব্রঙ্কাইটিস।
১০. কোনটি ইউরিয়া সার প্রস্তুতিতে ব্যবহার করা হয়?
ক. অক্সিজেন খ. নাইট্রোজেন
গ. হাইড্রোজেন ঘ. নিয়ন।
উত্তর : খ. নাইট্রোজেন।
১১। কোমল পানীয়ের ছিপি খুললে কীসের বুদ্বুদ পাওয়া যায়?
ক. অক্সিজেন খ. কার্বন ডাইঅক্সাইড
গ. নাইট্রোজেন ঘ. হাইড্রোজেন।
উত্তর : খ. কার্বন ডাইঅক্সাইড।
১২। কাঠ পোড়ানোর সময় অক্সিজেনের অভাব হলে বায়ুর কোন উপাদান উৎপন্ন হয়?
ক. কার্বন মনোক্সাইড খ. কার্বন ডাইঅক্সাইড
গ. আর্গন ঘ. নিয়ন।
উত্তর : ক. কার্বন মনোক্সাইড।
সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর
প্রশ্ন : বায়ুর চারটি উপাদানের নাম লেখ।
উত্তর : বায়ুর চারটি উপাদান হলো : অক্সিজেন, নাইট্রোজেন, কার্বন ডাইঅক্সাইড ও জলীয় বাষ্প।
প্রশ্ন : অ্যাসিড বৃষ্টি কী?
উত্তর : কয়লা, পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস পোড়ানোর ফলে বায়ুতে কার্বন ডাইঅক্সাইড বৃদ্ধি পায়। এ ছাড়া কয়লা পোড়ানোর ফলে এতে মিশে থাকা সালফার পুড়ে বায়ুতে সালফারের অক্সাইড উৎপন্ন হয়, সালফারের অক্সাইড বৃষ্টির পানিতে মিশে বৃষ্টির পানিকে অ্যাসিডযুক্ত করে। এই অ্যাসিডযুক্ত বৃষ্টিকেই অ্যাসিড বৃষ্টি বলা হয়। অ্যাসিডযুক্ত বৃষ্টি সব জীবের জন্য ক্ষতিকর।
প্রশ্ন : রান্নাঘরে বায়ুদূষণ কমানো যায় কীভাবে?
উত্তর : রান্নাঘরে উন্নত চুলা ব্যবহার করে এবং বায়ু চলাচলের ভালো ব্যবস্থা করে বায়ুদূষণ কমানো যায়।
প্রশ্ন : ইটের ভাটার দূষণের প্রভাব কীভাবে কমানো যায়?
উত্তর : ইটের ভাটা লোকালয় থেকে দূরে স্থাপন করে, কয়লা-কাঠের পরিবর্তে কম জ্বালানি ব্যবহার হয় এমন উন্নত প্রযুক্তি উদ্ভাবন করে ইটের ভাটার দূষণের প্রভাব কমানো যায়।
প্রশ্ন : কোথায় কোথায় বায়ু আছে?
উত্তর : আমাদের চারদিকেই বায়ু আছে। ভূপৃষ্ঠের মাটিকণার ফাঁকে ফাঁকে বায়ু রয়েছে। পানিতেও বায়ু মিশে আছে। এককথায় পৃথিবীর সর্বত্রই বায়ু আছে।