মডেল প্রশ্ন
নিচের অনুচ্ছেদটি পড় এবং ১, ২, ৩, ও ৪ ক্রমিকের প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও।
সঙ্গীতের দুটো ক্ষেত্র আছে_এক. কণ্ঠসঙ্গীত দুই. যন্ত্রসঙ্গীত। সচরাচর কণ্ঠসঙ্গীতের পরিপূরক হিসেবে ব্যবহৃত হয় যন্ত্রসঙ্গীত। তবে শুধু কণ্ঠসঙ্গীত যেমন সম্ভব, তেমনি শুধু যন্ত্রসঙ্গীতও সম্ভব।
বাঁশি, ঢোল, তবলা, করতাল, খোল, খঞ্জনি, হারমোনিয়াম, মাদল, একতারা, দোতারা, সেতার, সরোদ এরকম অনেক বাদ্যযন্ত্র ব্যবহৃত হয় কণ্ঠসঙ্গীতের সহযোগী হিসেবে। যারা এসব যন্ত্র ব্যবহার করেন, তাদের ভিন্ন ভিন্ন নাম আছে। বাঁশি বাজান যিনি, তিনি বংশীবাদক; ঢোল বাজান যিনি, তিনি ঢুলি; তবলা বাজান যিনি, তিনি তবলচি। গ্রামবাংলার বিভিন্ন অঞ্চলের সাধারণ মানুষের মধ্যেও সঙ্গীতচর্চার ঐতিহ্য আছে। এসব গানকে সাধারণভাবে লোকসঙ্গীত বলা হয়। লোকসঙ্গীত সাধারণ মানুষের বাক প্রতিভার স্বতঃস্ফূর্ত অভিব্যক্তি।
১. সঠিক উত্তরটি লিখ : ১ক্ম৫=৫
(১) ওপরের অনুচ্ছেদটি মূলত যে বিষয় নিয়ে লেখা তা হলো_
ক. ছড়া খ. নাটক
গ. সঙ্গীত ঘ. কবিতা
(২) লোকসঙ্গীতকে বলা হয়_
ক. শহরের লোকদের গান
খ. গ্রামবাংলার গান
গ. আধুনিক গান
ঘ. বিদেশি গান
(৩) খঞ্জনি শব্দটির 'ঞ্জ' যুক্ত বর্ণটিতে আছে_
ক. জ+ঞ্জ খ. ঞ+জ
গ. ণ+জ ঘ. ণ+ছ
(৪) গ্রামবাংলার মানুষ 'লোকসঙ্গীত' পছন্দ করে, কারণ_
ক. লোকসঙ্গীত গাওয়া সহজ
খ. লোকসঙ্গীত সাধারণ মানুষ গায়
গ. লোকসঙ্গীত ছাড়া অন্য গান শুনতে পায় না
ঘ. লোকসঙ্গীত সাধারণ মানুষের স্বতঃম্ফূর্ত অভিব্যক্তি
(৫) গ্রাম্যমেলার অনুষ্ঠানে কী ধরনের গান উপযুক্ত?
ক. রবীন্দ্রসঙ্গীত খ. নজরুলসঙ্গীত
গ. বাউলসঙ্গীত ঘ. ব্যান্ডসঙ্গীত
২. নিচে কয়েকটি শব্দ এবং শব্দার্থ দেয়া হলো। উপযুক্ত শব্দটি দিয়ে নিচের বাক্যগুলোর শূন্যস্থান পূরণ কর। ১ক্ম৫=৫
ক. অভিনয়ের মাধ্যমে মনের _ ঘটে।
খ. এত ছোট মেয়ের _ দেখে আমি মুগ্ধ।
গ. রুটি ভাতের _ হিসেবে খাওয়া যায়।
ঘ. বৈশাখী মেলায় _ এর আসর বসে।
ঙ. তিনি্ন _ ভাবে নাচতে রাজি হয়েছে।
৩. নিচের যুক্তবর্ণগুলো কোন কোন বর্ণ দিয়ে তৈরি তা লিখ এবং প্রদত্ত যুক্ত বর্ণ দিয়ে একটি করে শব্দ লিখ : ১ক্ম৫=৫
ক্ত. ক্ষ, শ্ল, ল্প, ম্ফ
৪.
(ক) লোককসঙ্গীতকে গ্রামবাংলার ঐতিহ্য বলা হয়েছে কেন? এর ৫টি কারণ লিখ। ৫ক্ম২=১০
(খ) 'ধানের দেশ, প্রাণের দেশ এই আমাদের বাংলাদেশ'_এই বাক্যটি দিয়ে কী বুঝানো হয়েছে? ৫টি বাক্যে উত্তর লিখ।
নিচের অনুচ্ছেদটি পড় এবং ৫. ৬. ৭ ও ৮ ক্রমিকের প্রশ্নগুলোর উত্তর লিখ।
মুক্তিযুদ্ধের একেবারে শেষের দিকে তারা বুঝতে পারে যে, তাদের পরাজয় অবধারিত। তখন তারা এ দেশকে আরো গভীরভাবে ধ্বংস করার উদ্যোগ নেয়। তারা জানে, এ দেশের মনস্বী চিন্তাবিদ, শিক্ষাবিদ ও সৃষ্টিশীল সকলকে হত্যা করলে এ দেশের যে ক্ষতি হবে তা অপূরণীয়। পাকিস্তানিরা আমাদের সেই অপূরণীয় ক্ষতি করার কাজ শুরু করে। রাজাকার, আলবদর, আল-শামস বাহিনীর সহায়তায় নতুন করে হত্যাযজ্ঞ শুরু করে। ১৯৭১ সালের ১৪ ডিসেম্বর বিভিন্ন আবাসস্থল থেকে তারা ধরে নিয়ে যায় অধ্যাপক মুনীর চৌধুরী, মোফাজ্জল হায়দার চৌধুরী ও আনোয়ার পাশাকে। তারা ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক। তুলে নিয়ে যায় ইতিহাসের অধ্যাপক সন্তোষ চন্দ্র ভট্টাচার্য ও গিয়াসউদ্দিন আহমদকে। ইংরেজির অধ্যাপক রাশীদুল হাসানও বাদ পড়েন না।
৫. সঠিক উত্তরটি উত্তরপত্রে লিখ : ১ক্ম৫=৫
১. মুক্তিযুদ্ধের শেষের দিকে পরাজয় অবধারিত, এটি কারা বুঝতে পেরেছিল?
ক. ভারতীয় মিত্র বাহিনী
খ. পাকিস্তানি বাহিনী
গ. আলবদর বাহিনী
ঘ. মুক্তিযোদ্ধারা
২. আমাদের এ দেশকে মেধাশূন্য করার জন্য পাকিস্তানি বাহিনী_
ক. রাজকারদের মেরেছিল
খ. ভারতীয় বাহিনীকে মেরেছিল
গ. এ দেশের বুদ্ধিজীবীদের হত্যা করেছিল
ঘ. বুদ্ধিজীবীদের পাকিস্তানে নিয়ে গিয়েছিল
৩. কোন তারিখটিকে আমরা 'শহীদ বুদ্ধিজীবী' দিবস হিসেবে পালন করি?
ক. ২৬ মার্চ খ. ১৫ আগস্ট
গ. ১৪ ডিসেম্বর ঘ. ১৬ ডিসেম্বর
৪. অধ্যাপক মুনীর চৌধুরী কোন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ছিলেন?
ক. ঢাকা খ. চট্টগ্রাম
গ. রাজশাহী ঘ. খুলনা
৫. ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধে যারা প্রাণ দিয়েছেন, তাদের এককথায় কী বলে?
ক. শহীদ খ. মুক্তিযোদ্ধা
গ. আলশামস ঘ. বুদ্ধিজীবী।