শর্ত আরোপের ফলে মেধা তালিকার শীর্ষে থাকা অনেক শিক্ষার্থী ২০১২-১৩ শিক্ষাবর্ষে ঢাবির আইন বিভাগে ভর্তির সুযোগ হতে পারেননি । একারণে বিভাগটির ১৩৫ আসনের মধ্যে কমপক্ষে ৮১ টি আসন ফাঁকা থেকে যায়। এরই পরিপ্রেক্ষিতে ২০১৩-১৪ শিক্ষাবর্ষে আইন বিভাগে সম্মান প্রথম বর্ষের ভর্তির শর্ত শিথিল করেছে কর্তৃপক্ষ।
উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ে বাংলা ও ইংরেজি বিষয়ে ২০০ নম্বরের কোর্স থাকার বিষয়টি শিথিল করায় ২০১৩-১৪ শিক্ষাবর্ষে ভর্তির সুযোগ পাচ্ছেন মাদ্রাসা ও ইংরেজি মাধ্যম থেকে পাশ করা শিক্ষার্থীরাও।
বুধবার ঢাবির ওয়েবসাইটে প্রকাশিত খ-ইউনিট ও ঘ-ইউনিটের প্রসপেক্টাসে দেখা যায় উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ে বাংলা ও ইংরেজিতে ২০০ নম্বরের কোর্স বাধ্যতামুলক থাকার বিষয়টি তুলে দেয়া হয়েছে। পাশাপাশি ভর্তি পরীক্ষায় বাংলায় ১৮ পাওয়ার শর্তের যায়গায় ১৫ করা হয়েছে।
গত শিক্ষাবর্ষে আইন বিভাগে সম্মান প্রথম বর্ষে ভর্তির জন্য ভর্তি পরীক্ষায় বাংলায় ১৮ ও ইংরেজিতে ২০ পাওয়ার শর্ত ছিল।
২০১২-১৩ শিক্ষাবর্ষে সম্মান প্রথম বর্ষে ভর্তির ক্ষেত্রে উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ে বাংলা ও ইংরেজি বিষয়ে ২০০ নম্বরের কোর্স থাকা বাধ্যতামূলক করা হয়েছিল। ফলে মাদ্রাসা ও ইংরেজি মাধ্যম থেকে পাশ করা শিক্ষার্থীদের জন্য আইন বিভাগে ভর্তির দরজা বন্ধ ছিল। এবার সে শর্ত শিথিল হওয়ায় মাদ্রাসা ও ইংরেজি মাধ্যম থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পাশ করা শিক্ষার্থীদের ঢাবির আইন বিভাগে ভর্তিতে আর কোন বাধা থাকল না।
এছাড়াও ভর্তি পরীক্ষায় বাংলায় ৩০ নম্বরের মধ্যে ১৮ পাওয়ার শর্তের জায়গায় এবার ১৫ পাওয়ার শর্ত দেওয়ায় ভর্তি পরীক্ষায় কৃতকার্য শিক্ষার্থীদের আইন বিভাগে ভর্তি হওয়া তুলনামুলক অনেক সহজ হবে।
২০১২-১৩ শিক্ষাবর্ষে উচ্চ মাধ্যমিকে বাংলা ও ইংরেজি বিষয়ে ২০০ নম্বরের কোর্স থাকা বাধ্যতামুলক থাকায় মাদ্রাসা ও ইংরেজি মাধ্যম থেকে পাশ করা শিক্ষার্থীরা আইন বিভাগে ভর্তি হতে পারেনি।
এছাড়া ভর্তি পরীক্ষায় বাংলা ও ইংরেজিতে উচ্চ শর্ত আরোপ করায় মেধা তালিকার শীর্ষে থাকার পরও পছন্দের আইন বিভাগে ভর্তি হতে পারেনি অনেক শিক্ষার্থী।
এর ফলে গত শিক্ষাবর্ষে আইন বিভাগে মাত্র ৫৪ জন ভর্তি হওয়ায় কমপক্ষে ৮১ টি আসন ফাঁকাই থেকে যায়।
Blog
ঢাবির আইন বিভাগে মাদ্রাসার ছাত্ররাও ভর্তি হতে পারবে
EduVai updates, advice, and education stories.